আপনারা জাহের ভাইকে ক্ষমা করে দিবেন-সেলিম ওসমান

164

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের এর শেষ বিদায়ের জানাজায় হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছে। শনিবার ১৫ আগস্ট দুপুর ২টায় পুরান বন্দর চৌধুরী বাড়ি এলাকায় নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুল মাঠে মরহুমের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজায় সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার, আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ কয়েক হাজার মানুষ জানাজায় অংশ নিয়েছেন।

জানাজার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেন, জাহের ভাই যদি কারো সাথে কখন খারাপ ব্যবহার করে থাকেন। কারো সাথে উত্তেজিত হয়ে কথা বলে থাকেন, আর এর জন্য যদি কেউ মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন তবে সেই ভূলের দায় আমার। কারন উনি আমার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আপনারা জাহের ভাইকে ক্ষমা করে দিবেন। মৃত্যুর আগে হাসপাতালে তিনি অনেক আজাব পেয়েছেন আপনারা দোয়া করবেন যাতে করে উনি কবরে কোন আজাব না পান শান্তিতে থাকেন।

তিনি আরো বলেন, আমি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বন্দরে রশিদ ভাই, জাহের ভাই, ও আতাউর রহমান মুকুলকে সাথে নিয়ে কাজ করেছি। উনারা আমাকে সার্বক্ষনিক সকল কাজে সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছেন। জাহের ভাই যখনই আমার কাছে গিয়েছেন বন্দরের মানুষের জন্য, বন্দরের উন্নয়ন জন্য কথা বলেছেন। আজকে জাহের ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। উনার চলে যাওয়ায় আমি এমন একজন বন্ধুকে হারিয়েছি যিনি গভীর রাত পর্যন্ত আমাকে কাজে সঙ্গ দিয়েছেন। উনি অসুস্থ্য হওয়ার পর থেকে উনার পরিবারের সদস্যরা যে কি পরিমান চেষ্টা আর কষ্ট করেছেন সেটার সাক্ষী আমি নিজে। আপনারা সবাই প্রতিটি মসজিদের দোয়া করেছেন উনার সুস্থ্যতা কামনা করে। কিন্তু হায়াত মরন আল্লাহর হাতে। আর আল্লাহ উনাকে এমন একটা দিনে দুনিয়া থেকে নিয়ে গেলে যা কিনা প্রতি বছর কাউকে মনে করিয়ে দিতে হবেনা যে আজকে জাহের ভাইয়ের মৃত্যু বার্ষিকী। আপনারা জাহের ভাইয়ের জন্য আবারো দোয়া করবেন আল্লাহ যেন উনার আত্মাকে শান্তি দেন বেহেস্ত নসিব করেন।

উল্লেখ্য, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে ভূগছিলেন। রোববার ২৬ জুলাই অসুস্থ্য অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার ১৫ আগস্ট ভোরে তিনি ইন্তেকাল করেন(ইন্নালিল্লাহ হে… রাজিউন)। তিনি ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য। এছাড়াও তিনি দীর্ঘ ২২ বছর বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Warning: A non-numeric value encountered in /home/narayang/public_html/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 352