মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০১:০১ পূর্বাহ্ন

এসিড মামলার প্রধান আসামী বরিশাইল্লা টিপু অধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছাত্রলীগ নেতা মুন্নাকে এসিড দিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার চেস্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী ডাকাত রেহান আড়াই মাসের ও বেশী সময় ধরে  ফতুল্লা থানার অপর একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলা কারাগারে আটক থাকলে ও এসিড মামলার পলাতক আসামী হিসেবে এখনো শোন এরেস্ট দেখায়নি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এমনটাই অভিযোগ আহত ছাত্রলীগ নেতা মুন্নার পরিবাারের।

এ বিষয়ে আহত ছাত্রলীগ নেতা মুন্নার পিতা ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষধের গ্রাম্য পুলিশ সদস্য মিরাজ হোসেন জেল হাজতে আটক এসিড মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী ডাকাতক রেহান কে শোন এরেস্ট সহ মামলার অপর আসামীদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানিয়ে  প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

লিখিত অভিযোগে মিরাজ জানায় ,গত বছর ৩০ শে অক্টোবর রাতে ফতুল্লার চিন্থিত ভুমিদস্যু বরিশাইল্লা টিপু,তার ভাগিনা ফেন্সি রাজিব,ডাকাত রেহান,সাইফুল,কাইয়ুম,সাগর সহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী আমার বড় ছেলে মুন্নাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও এসিড দিয়ে হত্যার চেস্টা চালায়।কিন্তু ভাগ্যক্রমে আমার ছেলে মুন্না বেচে গেলে ও তার ডান চোখ নস্ট হয়ে যায়।

এ ঘটনায় আমার ছোট ছেলে শাওন বাদী হয়ে উল্লেখিত আসামীদের বিরুদ্বে ঘটনার পরদিন ফতুল্লা মডেল খানায় একটি মামলা (মামলা নং-১(১০)২০১৯)দায়ের করে।ঘটনার পরপরই ফতুল্লা থানা পুলিশ থানা গেইট হতে এজাহারভুক্ত আসামী সাইফুল কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।মামলাটি প্রথমে ফতুল্লা থানা পুলিশ তদন্ত করলে ও বর্তমানে মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। পিবিআই ইনসপেক্টর জহির মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে মামলাটি তদন্ত করছে।

সর্বশেষ গত ২১ মার্চ দুপুরে ফতুল্লা থানা পুলিশ পাকিস্তান খাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর একটি মামলার( ফতুল্লা থানার মামলা নং-৪৭(১) ১৮) ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী হিসেবে আমার পুত্র শাওনের দায়ের করা মামলার ৫ নং এজাহারভুক্ত আসামী রেহান ওরফে ডাকাত রেহানকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।ঘটনার পরপরই আমি নিজে একাধিকবার ডাকাত রেহানের আটকের বিষয়টি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহির সাহেবকে মোবাইল ফোনে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পলাতক অপর আমসামীদের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।। কিন্ত অদ্যবধী (২/৬/২০২০ইং)মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেল হাজতে আটক আসামী ডাকাত রেহানকে আমার পুত্রের দায়ের করা মামলায় রহস্যজনক কারনে শোন এরেস্ট দেখায়নি।

নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র মতে,ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান  আসামী বরিশাইল্লা টিপু মামলা  থেকে নিজে এবং তার দুই ভাগিনা ফেন্সি রাজিব ও ডাকাত রেহান কে মামলা থেকে বাচাতে তার নিকটাত্নীয় কিডনি মনির ওরফে সোর্স মনির কে ব্যবহার করে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে টাকা ছিটিয়ে মামলা থেকে অব্যহতি পেতে নানা চেস্টায় লিপ্ত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

    © All rights reserved © 2023
    Design & Developed BY M Host BD