ফতুল্লায় কথিত সোর্স মিলনের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

27
নিজস্ব প্রতিবেদক
ফতুল্লায় ভাড়াটিয়া কে ধর্ষন করতে ব্যার্থ হয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করার চেস্টার অভিযোগ  উঠেছে বাড়িওয়ালার পুত্রের বিরুদ্বে।ঘটনাটি ঘটছে রবিবার(২১ জুন) রাত তিনটায় ফতুল্লা  রেল স্টেশন এলাকায় ব্যাংকার মান্নান হাজীর  বাড়ীতে।
ঘটনার শিকার পরিবারটির অভিযোগ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ও অভিযুক্ত লম্পট বাড়ীওয়ালার পুত্র মিলন(৩৫) কে গ্রেফতার না করেই চলে আসে।  তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা    মিজান(১) বাদী পক্ষের অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান,তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।অভিযুক্ত মিলন ভাড়াটিয়ার ঘরে প্রবেশ করেছিলো সত্যি কিন্তু ধর্ষন করতে পারেনি।তাছাড়া অভিযুক্ত মিলন বাসায় না থাকায় তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি।তবে অভিযুক্ত লম্পট মিলনকে গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি জানান।
নির্ভরযোগ্য অপর একটি সূত্রে জানা যায়,গনমাধ্যম কর্মীরা বিষটি অবগত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজান(১) মুঠোফোনে বাদীর পরিবারের সদস্যদের ফোন করে এই বলে হুমকী দেয় যে,আমাকে চিনিস না আমি দারোগা  মিজান।সাংবাদিকদের জানিয়েছিস পিটিয়ে পাছার ছাল তুলে নিবো। বিষয়টি নিয়ে বেশী বাড়াবাড়ি করিস না তাহলে কিন্তু ভালো হবেনা।
আর তাই থানায় অভিযোগ করেও পুলিশি হুমকী ও অভিযুক্ত মিলন ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকীর মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারটি।
ঘটনার বিবরনীতে জানা যায়,রামগতি জেলার লক্ষিপুর থানার চরকালোকপা গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খুশি (১৬) স্ব পরিবারে ফতুল্লা রেল স্টেশন এলাকার মান্নান হাজীর বাড়ীতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে।বাড়ীওয়ালার লম্পট পুত্র মিলন তাকে বেশ কিছুদিন যাবৎ কু- প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো।গত কয়েকদিন পূর্বে  গভীর রাতে  মিলন তার ঘরে প্রবেশ করে তার শ্লীলতাহানির চেস্টা করে।এ বিষয়ে  সে বাড়ীওয়ালা সহ বাড়ীওয়ালার স্ত্রী কে বিষয়টি অবগত করলে তারা বিচারের আশ্বাস প্রদান করলেও তারা তা করেনি।বরং উল্টো ২১ তারিখ রবিবার দিবাগত রাত তিনটায় মিলন তার ঘরে প্রবেশ করে তাকে জড়িয়ে ধরে ধর্ষনের চেস্টা করলে তার ঘুম ভেঙে গেলে সে চিৎকার করার চেস্টা করলে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করার চেস্টা করে।এ সময় সে জীবন বাচাঁতে হাত-পা ছুড়ে ধাপাধাপি করলে তার পাশে শুয়ে থাকা তার ভাই  জাগ্রত হয়ে মিলন কে জাপটে ধরে ফেলার চেস্টা করে।এ সময় মিলন তার ভাইকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।ঘটনার পরপর তারা বাড়ীর মালিক কে বিষয়টি অবগত করে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।
এ বিষয়ে থানা গেইটে কথা হয় অভিযোগকারী খুশির সাথে,তিনি বলেন অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন এ সময় বাড়ীর ভিতরে থাকা আরো একাধিক ভাড়াটিয়া মিলনের বিরুদ্বে যৌন হয়রানী- শ্লীলতাহানির বর্ননা করেন।কিন্তু সকল কিছু প্রমাণ পাওয়ার পরেও ঘরের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্ত লম্পট মিলন কে গ্রেফতার না করে বাড়ীওয়ালার সাথে কথা বলেই তিনি চলে আসেন।খুশি আরো বলেন,পুলিশ বাসা থেকে বের হতে না হতেই মিলন ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ সহ মারধর করার জন্য তেড়ে আসে।অনেকটা ক্ষোভ নিয়েই তিনি বলেন,নিজের ইজ্জত বাঁচিয়ে লম্পটের বিরুদ্বে থানায় অভিযোগ করে ও আমরা নিরাপদ নই তাহলে কার কাছে বিচার চাইবো আমরা।
এদিকে সরজমিনে গেলে স্থানীয়বাসী সহ ঐএকই বাড়ীর ভাড়াটিয়ারা জানায় যে,অভিযুক্ত মিলন একজন মাদকাসক্ত।তাদের বাড়ীর বহুজনেরই শ্লীলতাহানির ঘটনার জন্ম দিয়েছে।তবে ঘটনাস্থলে তদন্তে আাসা পুলিশ কর্মকর্তা মিজান(১) লম্পট মিজান কে গ্রেফতার না করেই চলে যায়।তদন্তকারী কর্মকর্তার এমন ভুমিকায় স্থানীয়বাসীর মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে।
নিউজটি শেয়ার করুন...