নিজস্ব প্রতিবেদক
কিডনি রোগে আক্রান্ত ৭ বছর বয়সী ছোট শিশু ওমর ফারুক। যে বয়সে সমবয়সী বাচ্চাদের সাথে খেলায় মেতে থাকার কথা, আজ সে প্রচন্ড অসুস্থ অবস্থায় দুটি কিডনির সমস্যা নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শয্যাশায়ী। ছোট্ট শিশুটির চোখে মুখে তাকালেই যেন অপলক চাহনিটা বলছে আমি বাঁচতে চাই, আমি থাকতে চায় সুন্দর এ পৃথীবীর বুকে আপনাদের সবার মাঝে।
ঢাকার পিজি হাসপাতালে ৩ নং শিশু কিডনি ওয়ার্ডের ৩২৬ নং বেডে চিকিৎসারত অবস্থায় রয়েছে ওমর ফারুক। ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছেন অনেক দিন ধরে তার চিকিৎসা করতে হবে, যেটা অনেক ব্যায়বহুলও বটে।
ওমর ফারুক নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার গাবতলী এলাকার আনিছ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া দরিদ্র ইলেকট্রিক মিস্ত্রী মুকবুল খাঁনের পুত্র। একটি ইলেকট্রিকের দোকানেই শেষ সম্বল ওমর ফারুকের পিতা মুকবুল খাঁনের। জন্মের কিছুদিন পর থেকে ওমর ফারুক সব সময় অসুস্থ থাকত। সে কারনে দরিদ্র পিতা ওমর ফারুক কে নিয়ে আজ এ ডাক্তার কাল ও ডাক্তার করতে করতে হাফিয়ে উঠেছে। দিন আনা দিন খাওয়া সংসার যেন আর সামনে এগুতেই চাইছেনা দরিদ্র এ ইলেকট্রিক মিস্ত্রীর।
তার উপর সন্তানের দুটি কিডনি নষ্ট হওয়ার খবর ও ব্যায়বহুল চিকিৎসার খবরে একদমই মুষড়ে পড়েছে ওমর ফারুকের পিতা ও তার পরিবার।
ছোট ওমর ফারুক কে বাঁচাতে দরিদ্র ইলেকট্রিক মিস্ত্রী পিতা তাইতো সকলের নিকট সাহায্যের অনুরোধ করেছেন। আমরা যার যার অবস্থান থেকে কি পারিনা এই অসহায় পরিবারের ছোট্ট শিশুটিকে সামর্থ্য অনুযায়ী একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে?
হয়ত আপনার সহযোগিতায় আর মহান আল্লাহর ইচ্ছায় বেঁচে যাবে শিশুটি, ফিরে পাবে নতুন জীবন, আবার হাসবে খেলবে স্কুলে যাবে, নতুন ভাবে বিচরণ করবে সুন্দর এ পৃথীবীতে।
তাই আসুন না সকলে মিলে একটু মানবতার হাত বাড়িয়ে দিই, হয়ত আপনার আমার সহযোগিতার কারনে ওমর ফারুক ফিরে পাবে নতুন জীবন, ফিরে পাবে আগামীর পথ চলার নতুন গতি।
সকলের সহোযোগিতায় শিশুটি পেতে পারে নতুন জীবন।সাহায্যের হাত বাড়াতে চাইলে শিশুটির পিতা সাহায মকবুল খানের বিকাশ নাম্বারে ০১৭২১২৫৪৪৬৯ যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।
Leave a Reply