শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৩:০২ অপরাহ্ন
আবদুর রহিমঃ সংগঠনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অবশেষে নারায়ণগঞ্জ যুবলীগের ঘুম ভেঙেছে। রাজধানীতে আয়োজিত যুবলীগের সমাবেশে নজরকাড়া শোডাউন করেছে নারায়ণগঞ্জের যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তবে জেলা যুবলীগের পদধারী শীর্ষ নেতাদের দেখা যায়নি। পদের বাইরে থেকে এতো যারা যুবলীগকে আঁকড়ে ছিলেন, কেবল সে সমস্ত নেতারাই এই শোডাউনে অংশ নিয়েছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু এবং মহানগর যুবলীগের সভাপতি সাহাদাৎ হোসেন সাজনুর নেতৃত্বে পৃথক শোডাউন করেছে নারায়ণগঞ্জের যুবলীগের নেতারা। যুবলীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন পর যেহেতু যুবলীগ জেগে উঠেছে এখনি জেলা এবং যুবলীগের কমিটিগুলো গঠনের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।
সূত্রমতে, দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগের সম্মেলন হচ্ছে না। যুবলীগের রাজনীতি করতে আগ্রহী অনেক নেতা যুবলীগের পদে আসতে নান পেরে মূল দল কিংবা অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। যুবলীগের পদে থাকা নেতারা এখন আর যুবলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নেই। যুবলীগের রাজনীতিকে ধরে রেখেছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, সাফায়াত আলম সানি, আবু মোঃ শরীফুল হক, আজমত আলী, মহানগর যুবলীগের কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন সভাপতি সাজনু, সম্পাদক উজ্জ্বল।
তবে নতুনদের হাতে যুবলীগের নেতৃত্ব তুলে দেয়া এখন সময়ের দাবিতে পরিনত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ব্লকের নেতা হিসেবে পরিচিত আব্দুল কাদিরকে সভাপতি ও শামীম ওসমান ব্লকের নেতা আবু হাসনাত শহীদ বাদলকে সাধারন সম্পাদক কমিটি গঠন করা হয়েছিল জেলা যুবলীগের। এছাড়া জাকিরুল আলম হেলালকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, আসিফ হোসেন মানুকে সহ-সভাপতি ও শাহ নিজামকে করা হয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এদের মধ্যে শাহ নিজাম মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জাকিরুল আলম হেলাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাছাড়া সেই কমিটির অনেক নেতা বর্তমানে নিস্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছেন।
এদিকে জেলা কমিটির কিছু দিন পর শহর কমিটি গঠন করা হয়। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন গঠনের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মহানগর কমিটি গঠন হয়নি। পূর্বগঠিত শহর কমিটি দিয়েই মহানগরের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শাহাদাত হোসেন ভূইয়া সাজনু সভাপতি ও আলী রেজা উজ্জলকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-বিরোধে লিপ্ত হয়ে যান তারা। কারণ এরা দুইজন দুই ব্লকের রাজনীতি সাথে জড়িত। তারা আলাদাভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করে থাকেন।
Leave a Reply