ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোববার দুপুরে ৩৯ জনের নামে মামলা হওয়ার খবরে এই আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এই মামলাকে যড়যন্ত্রমূলক, মিথ্যা মামলা দাবি করেছে বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোডের রঘুনাথপুর আজিমুনসান মাদরাসাগামী সিদ্ধিরগঞ্জে যাওয়ার প্রবেশ পথে উল্লিখিত বিএনপির নেতাকর্মীরা অবস্থান নেয়।
তারা হাতে মশাল, লোহার রড, হকিস্টিক, চাপাতি, ককটেলসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন। তারা বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি এবং বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে রাস্তায় টায়ারে আগুন ধরিয়ে মশাল মিছিল করেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বারি ভূইয়া (৫১), কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মিয়া (৪৮), শাহাদাৎ হোসেন (৫৫), নাজমুল ইসলাম (৩৫), জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি (৩০), জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মাজেদুল (৪৩), কুতুবপুর ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির (৪২), ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিঠু সর্দার (৪৫), মো. মজিবর শিকদার (৫৫), ফতুল্লা থানা বিএনপির প্রচার সম্পাদক পিয়াস খন্দকার (৪০), সিরাজ (৫০), মো. শামীম (৪০), আতাই রাব্বি (৩০), জিদনী (২২), রাফি (৩২), তানহা (৩০), মাহফুজ (২৭), ইউনুস (৪৫), মো. রাজু (৩৮), মো. অভি (৩৭), তুষার আহম্মেদ মিইু (৪৮), নজরুল ইসলাম (৪২), রোজেল (৪৫), মো. মকবুল হোসেন বাবলু (৪০), মো. হাসান (৪০), লিটন সর্দার (৪৫), তারা মিয়া, মেহেদী হাসান দোলন (৩০), গিয়াস উদ্দিন লাবলু (৪২), মোসলেম উদ্দিন মোসা (৪৭), রুহুল আমিন মুন্সি (৫০), শামীম (৩১), মা. আলমগীর হোসেন (৪২), হাজী শহিদুল্লাহ (৫০) ও ইকবাল কমিশনার (৫০)।
Leave a Reply