বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন

দলিল লেখক রফিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দলিল লেখক রফিক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন আল জয়নাল প্লাজার মালিকের কেয়ারটেকার মোঃ নুর ইসলাম। জিডি নং: ১২৩৪।

সাধারন ডায়েরিতে উল্লেখ করেছেন দলিল লেখক মোঃ রফিকুল ইসলাম (৬০), তার স্ত্রী রাশিদা ইসলাম (৫৫), শ্বশুর মোঃ সালেক খান (৭০) ফতুল্লা থানাধীন দাপা ইদ্রাকপুর মৌজার সি.এস-৬১৭নং দাগের ৩৯ শতাংশ বিক্রয় করিবে মর্মে জানাইয়া গত ইং ২৬/০৯/২০১১ তারিখে একটি বায়নাপত্র দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে আমার মালিক মোঃ জয়নাল আবেদীনের কাছ থেকে ২০১১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুই কোটি টাকা গ্রহণ করে। যার বায়না দলিল নং-১২৯৭৫।

পরবর্তীতে বিবাদীগণ সম্পত্তি আমার মালিকের নামে রেজিষ্টি করে না দিয়ে কালক্ষেপন করে আসছে। আমার মালিক বিভিন্ন সময় ও তারিখে বিবাদীদের নিকট জমি বা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বললে তারা আমাদের সঙ্গে তালবাহানা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৪ আগস্ট দুপুরে মোঃ জয়নাল আবেদীন ফতুল্লা থানাধীন ফতুল্লা রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন রফিকুল ইসলামের চেম্বারে গিয়ে বায়নাকৃত জমি কিংবা বায়নাকৃত দুই কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বললে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদান করে। এসময় তারা আমাদেরকে জমি বা টাকা কোনটাই ফেরত দিবেনা এবং আমরা যদি এই বিষয়ে কোন প্রকার আইন আদালতের আশ্রয় গ্রহণ কবি আমার মালিকসহ আমাদের ক্ষত করবে।

নুর ইসলামের অভিযোগ, এই প্রতারণার নেপথ্যে ছিলেন দলিল লেখক রফিকুল ইসলাম। তিনি নিজেই এই জমির মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করেছেন।

২০০৭সালে তিনি আমমোক্তারনামা বলে জমির মালিক হন। এরপর ২০০৯ সালে তা নিজের শ্বশুর সালেক খানকে সাফকবলা করে দেন। জালিয়াতি এখানেই শেষ নয়; ২০১০ সালে সালেক খান আবার সেই জমি রফিকের স্ত্রী রাশিদা ইসলামকে হেবা করে দেন। একই জমি নিজের পরিবারের ভেতরে ঘুরপাক খাইয়ে সাধারণ ক্রেতার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল এই চক্রের মূল লক্ষ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

    © All rights reserved © 2023
    Design & Developed BY M Host BD