কার্ড করার নামে টাকা নেবার অভিযোগ আ’ লীগ নেতার বিরুদ্ধে

185
নিজস্ব প্রতিবেদক : ১০ টাকা মূল্যের চাউল ক্রয় করার কার্ড বয়স্ক ভাতার কার্ড সহ রিলিফের কার্ড  দেবার করার নাম ৩০০ টাকা করে হাতিয়ে নেবার অভিযোগ উঠেছে কুতুবপুর ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা বিরেনের বিরুদ্বে।অভিযুক্ত বিরেন কুতুবপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক বলে জানা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ সরকারী ঘোষনানুযায়ী ১০ টাকা মূল্যের চাউল ক্রয় করার কার্ড, রিলিফ কার্ড, বি,জি এফ কার্ড,বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেবার নাম করে কুতুবপুর ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক বিরেন চন্দ্র ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করে দাবী করছে।বিরেনের এমন দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে কেউ কেউ টাকা দিলে ও অনেকেই আবার তা না দিয়ে প্রতিবাদ করেছে।এমনকি জনপ্রতিনিধিদের কে ও বিরনের টাকা দাবী করার বিষয়টি জানিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়।
৮নং ওয়ার্ড আওতাভুক্ত  পিলকুনি হিন্দু পাড়ার বাসীন্দা সুদেব(৫০) জানান ১০ টাকার কেজির চাউল ক্রয় করার কার্ড করে দেবার নাম করে বিরেন তার নিকট ৩০০ টাকা দাবী করেছিলো কিন্তু তিনি টাকা দেননি এবং কার্ড ও করেন নি।তবে তার দাবী পাশের বাড়ীর গৌতমের স্ত্রী টাকার বিনিময়ে কার্ড করেছেন।এ বিষয়ে তিনি বলেন গৌতমের স্ত্রী কে কার্ড দিয়ে বিরেনকে টাকা নিতে দেখেছেন। সুমন(৩০) নামক হিন্দু পাড়ার অপর এক যুবক জানায়,বেশ কয়েক মাস পূর্বে বিরেন তার মাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেবার নাম করে তার নিকট থেকে ৩৫০ টাকা নিলে ও তা তিনি করে দেননি।পরবর্তীতে স্থানীয় মহিলা মেম্বার খুকি বেগম তার মায়ের বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিয়েছে।নাম প্রকাশ করার না শর্তে  অনেকেই জানায়,বিরেন সরকারী ঘোষনানুযায়ী   ১০ টাকা মূল্যের চাউল ক্রয় করার কার্ড এবং রিলিফের কার্ড করে দেবার নাম  করে বিভিন্ন জনের নিকট থেকে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা করে দাবী করে আসছে।কেউ কেউ তার দাবী পূরন করে কার্ড করেছে।কেউ কেউ আবার তার দাবীকৃত টাকা না দিয়ে জনপ্রতিনিধি কে জানিয়েছে।
এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন ৭.৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার আরজুদা বেগম খুকি জানান,বেশ কয়েক মাস পূর্বে শিল্পি নামক এক মেয়ে বিরেনের টাকা চাওয়ার বিষয়ে তাকে জানিয়েছিলো। কিন্তু সামনা সামনি প্রমান দিতে সে রাজি হয়নি বিধায় কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। তিনি আরো বলেন আজ(শনিবার) বিকেলে ও হিন্দুপাড়া থেকে তাকে একজন ফোন করে জানায় বিধান নাকি কার্ড করে দেবার নাম করে মানুষের নিকট থেকে ৩০০ টাকা করে নিচ্ছে।তিনি আরো বলেন বিষয়টি  তদন্ত করে প্রমানিত হলে চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামীলীগ নেতা বিরেন তার বিরুদ্বে আনীত অভিযোগের বিষয়ে  অস্বীকার করে বলেন সব কিছু মিথ্যা ও বানোয়াট। কারো কাছ থেকে টাকা নিয়ে কার্ড করে দেননি।
নিউজটি শেয়ার করুন...