মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
নারায়ণগঞ্জের খবরঃ ১২ ঘন্টর ব্যবধানে ফতুল্লায় ছেলে ধরা সন্দেহে ২ নারী-পুরুষকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। গত শনিবার রাতে রাসেল নামে ফুলব্যবসায়ী এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে লালখা এলাকাবাসী। রবিবার সকাল ৯টায় সেহাচরের তক্কার মাঠ নাজমুল গার্মেন্টসের সামনে এক নারীকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।
সেহাচরের কালাম মিয়ার ভাড়াটিয়া রশিদ মিয়ার (৪০)ছেলে আক্তারকে (৮) খেলা করার সময় শেফালী (৪০) নামের অজ্ঞাত এক মহিলা রুটি দিতে চায়। আক্তার রুটি নিতে অস্বীকার করলে শেফালি বলে রুটি না খেলে আমাকে তিন তলায় পৌঁছে দিয়ে আসো। আক্তার বলে এখানে তো কোনো তিন তলা নাই। তখন শেফালি বলে তাহলে মসজিদ পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসো আমাকে। এ সময় আক্তার চিৎকার দেয় সে সময় চিৎকার শুনে এলাকার স্থানীয় রবিনা ও রানী নামের ২জন মহিলা ছুটে এসে গলা কাটা শেফালিকে ঘিরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর এলাকার লোকজন ছুটে এসে গলা কাটা শেফালিকে আটক করে মারধর করে করে ফতুল্লা থানায় খবর দেন।
শনিবার রাতে ফতুল্লা লালখা এলাকায় ছেলে ধরা সন্দেহে রাসেল মিয়াকে (৪৫) গেণধোলাই দিয়ে ঘিরে রাখে বিক্ষুদ্ধ জনতা। আটক রাসেলের দাবি, তিনি একজন ফুল ব্যবসায়ী। আটক রাসেল মিয়া নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার নবীগঞ্জের নূর হোসেনের ছেলে। রাজধানীর জুরাইন দারোগা বাড়ি রোডের একটি বাসায় থাকেন তিনি। পরে খবর পেয়ে ফতুল্লা পুলিশ রাসেলকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন জানায়, রংপুরের কুড়িগ্রামে শেফালির শেফালীা বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Leave a Reply