রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধাওয়া খেলেন যুবলীগ নেতা স্বপন সরদার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাংবাদিক পরিচয়ে চাদাবাজী করতে গিয়ে স্থানীয়বাসীর ধাওয়ার মুখে পালিয়ে এসে গণপিটুনীর হাত থেকে রক্ষা পেলেন ফতুল্লা থানার এনায়েত নগর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাবেক সাংসদ সাহারা বেগম কবরীর ক্যাডার স্বপন সর্দার ওরফে তেলচোরা স্বপন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল দুপর সাড়ে এগারোটায় ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুর কাজী বাড়ী এলাকায়।

ঘটনার বিনরনীতে  জানা যায়,ফতুল্লার দাপায় দূর্নীতি দমন কমিশন কর্মকর্তা  ও সাংবাদিক পরিচয়ে চাদাঁবাজী করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে রুহুল আমীন(৪৫) নামক এক ভুয়া সাংবাদিক আটক হয়েছে।পরে তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।এ সময় আটককৃতের সাথে আসা অপর তিন সহোযোগি একটি নোয়া মাইক্রোবাসে করে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানায়।

ঘটনার বিবরনীতে জানা যায়,রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে দূর্নীতি দমন কমিশন কর্মকর্তা ও সাংবাদিক পরিচয়ে দাপা মসজিদের বিপরীতে ব্যবসায়ী খোরশেদ কাজীর বাড়ীতে প্রবেশ করে গ্যাস এবং বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দেখতে চায় আটককৃত রুহুল আমীন ও তার সহোযোগি ফতুল্লার পঞ্চবটী ফাজিলপুর এলাকার মৃত সুলতান সর্দারের পুত্র স্বপন সর্দার।এ সময় ব্যবসায়ী খোরশেদ কাজীর পুত্র তরুন কাজী তাদেরকে বাসা থেকে তাদের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে নিয়ে এসে সকল কাগজ পত্র প্রদর্শন করে।কিন্তু তারা বিলের কাগজের সাথে তাদের গ্যাসের চুলার সাথে অসঙ্গতির দোহাই দিয়ে চাদাঁ দাবী করলে উপস্থিত লোকজনের মনে সন্দেহের সৃস্টি হয়।উপস্থিত লোকজনের মাঝে মাস্ক পরিহিত সাবেক সাংসদ সাহার বেগম কবরির ক্যাডার চিন্থিত চোরাই তেল কারবারী স্বপন সর্দারকে চিনে ফেলে তাদের কে চ্যালেঞ্জ করে।এ সময় অবস্থা বেগতিক বুজতে পেরে দূর্নীতি দমন কমিশন রিপোর্ট মনোগ্রাম সম্বলিত একটি নোয়া গাড়ীতে করে পালিয়ে যাওয়ার চেস্টা করলে স্থানীয়বাসী ধাওয়া করে রুহুল আমীন কে আটক করতে সক্ষম হলেও এই চক্রের মূল হোতা ইরান মজুমদার ও তার সহোযোগি স্বপন সর্দার ওরফে তেল চোরা স্বপন গাড়ি  নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন জানায়,সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে অফিসার পাঠিয়ে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি এবং ঘটনাস্থল পালিয়ে যাওয়া অপর সদস্যদের ও গ্রেফতার করা হবে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

একাধিক সূত্র মতে,ঢাকা- নারায়নগঞ্জ লিংক রোডের আশপাশের ফতুল্লা থানার কুতুবপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বাসা-বাড়ী এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেয়া এবং হাইচ মাইক্রোবাস নিয়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা নিজেদেরকে কখনো সাংবাদিক,কখোনা বা বিদ্যুৎ বা তিতাসের কর্মকর্তা বা দূর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে নানা অজুহাত দেখিয়ে চাঁদা আদায় সহ সুযোগ বুজে চুরি- ডাকাতি করার মতো ও ভয়ংকর অপরাধের জন্ম দিয়ে নির্বিঘ্নে সটকে পরে।ইতিপূর্বে ও এই চক্রের একাধিক সদস্য নোয়া এবং মাইক্রোবাস সহ বিভিন্ন পত্রিকার কার্ড সহ ফতুল্লা থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে।

থানা পুলিশ সূত্র জানায়,রবিবার দুপুরে দাপা এলাকা থেকে আটক ভুয়া সাংবাদিক চাঁদাবাজ রুহুল আমীন ২০১৯ সালের জুলাই মাসে ফতুল্লা থানার ভুইঘরে এক বাসা বাড়ীতে তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা পরিচয়ে চাদাঁবাজী করতে গিয়ে চার সহোযোগি সহ ফতুল্লা থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার করা হয়েছিলো।জামিনে বেরিয়ে এসে মূল হোতা ইমরান মজুমদারের সাথে আবারো অতিত অপকর্মে সক্রিয় হয়ে পরেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

    © All rights reserved © 2023
    Design & Developed BY M Host BD